জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ভোটদানের পদ্ধতির সমালোচনা করে অনলাইনে দেওয়া একটি পোস্টের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে ফ্রান্সের জাতিসংঘ মিশন।
শনিবার মার্কিন কর্মকর্তারা এএফপিকে বলেছেন, ওয়াশিংটন ফ্রান্সের এ বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে।
জাতিসংঘে ফ্রান্সের স্থায়ী মিশন শুক্রবার এ দুঃখ প্রকাশ করে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার রক্ষায় অঙ্গীকার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টের জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়।
মিশনটি তাদের ওয়েবসাইটে ইংরেজিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি ভোটে ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে। এই মতপার্থক্য একটি ভোটকে কেন্দ্র করে, মানবাধিকার রক্ষার বিষয়কে কেন্দ্র করে নয়।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘একটি ভোট নিয়ে প্রকাশ্যে মতপার্থক্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংলাপের পথে বাধা সৃষ্টি করে না। এটি আমাদের ঐতিহাসিক মিত্রতা কিংবা শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য একসঙ্গে কাজ করার সক্ষমতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে না। বহুপক্ষীয় ফোরামেও আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি।’
ফ্রান্সের এই দুঃখ প্রকাশকে ওয়াশিংটন স্বাগত জানিয়েছে। ওই বিরোধের জেরে যুক্তরাষ্ট্র ফ্রান্সের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত নিয়োগের অনুমোদন আটকে রেখেছিল।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপিকে বলেন, ‘আমরা ফ্রান্সের বিবৃতিটি লক্ষ্য করেছি এবং এর জন্য কৃতজ্ঞ। অভিন্ন মূল্যবোধ ও স্বার্থ এগিয়ে নিতে আমরা একসঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।’
ফ্রান্সের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর মনোনীত অরেলিয়াঁ লেশেভালিয়েরের নিয়োগের অনুমোদন আটকে রেখেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। তিনি লরাঁ বিলির স্থলাভিষিক্ত হবেন।
লেশেভালিয়ের বর্তমানে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারোর প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত নিয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন সাধারণত আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। কিন্তু ওই বিরোধের পর থেকে বিষয়টি ঝুলে রয়েছে।
২৪ জুলাই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান হিসেবে ভলকার তুর্কের মেয়াদ বাড়ানোর বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া ১০টি দেশের একটি ছিল যুক্তরাষ্ট্র। উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া ও নিকারাগুয়াসহ আরও কয়েকটি দেশও এর বিপক্ষে ভোট দেয়।
তুর্কের আরেক মেয়াদে দায়িত্ব পালনের বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র ভোট দেওয়ার পর ফরাসি মিশন এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লিখে, ‘যুক্তরাষ্ট্র একসময় মানবাধিকারের আলোকবর্তিকা ছিল। এখন আর নয়।’
জাতিসংঘে কূটনৈতিক বিরোধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দুঃখ প্রকাশ ফ্রান্সের
জাতিসংঘে কূটনৈতিক বিরোধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দুঃখ প্রকাশ ফ্রান্সের
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ভোটদানের পদ্ধতির সমালোচনা করে অনলাইনে দেওয়া একটি পোস্টের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে ফ্রান্সের জাতিসংঘ মিশন। শনিবার মার্কিন কর্মকর্তারা এএফপিকে বলেছেন, ওয়াশিংটন ফ্রান্সের এ বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে। জাতিসংঘে ফ্রান্সের স্থায়ী মিশন শুক্রবার এ দুঃখ প্রকাশ করে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার রক্ষায় অঙ্গীকার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টের জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়। মিশনটি তাদের ওয়েবসাইটে ইংরেজিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি ভোটে ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে। এই মতপার্থক্য একটি ভোটকে কেন্দ্র করে, মানবাধিকার রক্ষার বিষয়কে কেন্দ্র করে নয়।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘একটি ভোট নিয়ে প্রকাশ্যে
মতপার্থক্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংলাপের পথে বাধা সৃষ্টি করে না। এটি আমাদের ঐতিহাসিক মিত্রতা কিংবা শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য একসঙ্গে কাজ করার সক্ষমতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে না। বহুপক্ষীয় ফোরামেও আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি।’ ফ্রান্সের এই দুঃখ প্রকাশকে ওয়াশিংটন স্বাগত জানিয়েছে। ওই বিরোধের জেরে যুক্তরাষ্ট্র ফ্রান্সের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত নিয়োগের অনুমোদন আটকে রেখেছিল। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপিকে বলেন, ‘আমরা ফ্রান্সের বিবৃতিটি লক্ষ্য করেছি এবং এর জন্য কৃতজ্ঞ। অভিন্ন মূল্যবোধ ও স্বার্থ এগিয়ে নিতে আমরা একসঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।’ ফ্রান্সের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর মনোনীত অরেলিয়াঁ লেশেভালিয়েরের নিয়োগের অনুমোদন আটকে রেখেছে
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। তিনি লরাঁ বিলির স্থলাভিষিক্ত হবেন। লেশেভালিয়ের বর্তমানে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারোর প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত নিয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন সাধারণত আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। কিন্তু ওই বিরোধের পর থেকে বিষয়টি ঝুলে রয়েছে। ২৪ জুলাই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান হিসেবে ভলকার তুর্কের মেয়াদ বাড়ানোর বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া ১০টি দেশের একটি ছিল যুক্তরাষ্ট্র। উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া ও নিকারাগুয়াসহ আরও কয়েকটি দেশও এর বিপক্ষে ভোট দেয়। তুর্কের আরেক মেয়াদে দায়িত্ব পালনের বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র ভোট দেওয়ার পর ফরাসি মিশন এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লিখে, ‘যুক্তরাষ্ট্র একসময় মানবাধিকারের আলোকবর্তিকা ছিল। এখন আর নয়।’
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত