শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
মসজিদে ‘অনৈতিক কাজ’, মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর • লালমনিরহাটে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে এসআরবি'র বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা • ১২ বছরে ১৮ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ, কর কর্মকর্তা সাইফুলকে ঘিরে প্রশ্ন • একাত্তরে পাক আর্মি থেকে হিংস্র ছিলো জামাত • পাবনা মেডিকেল প্রকল্পে ২৭ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন • গজারিয়ায় আরডিআরএস এর ৩১০ তম ভবেরচর শাখার উদ্বোধন • খাদ্য পরিদর্শক মাজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ • অস্ট্রেলিয়ান পার্লামেন্ট হাউসে উন্মোচিত হলো শরণার্থীদের নিজস্ব নীতি-রূপরেখা • ৩০০ টাকার সেই টিকিট ব্ল্যাকে বিক্রি হচ্ছে ১,০০০ টাকায়! • সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে ফেলেছে সিটি করপোরেশন
জাতীয় কোরবানির জন্য ২৩ লাখ পশু বাড়তি রয়েছে : প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

কোরবানির জন্য ২৩ লাখ পশু বাড়তি রয়েছে : প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

বিডি টুডে ডেস্ক:


প্রয়োজনের তুলনায় পশু সরবরাহের ব্যবস্থা বেশি আছে জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আব্দুর রহমান বলেছেন, গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ- সব মিলিয়ে কোরবানির জন্য পশুর চাহিদা এক কোটি সাত লাখ।


 সেখানে আমাদের প্রস্তুত আছে প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ পশু। ২৩ লাখ পশু বাড়তি রয়েছে।



আজ বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে উন্নীত হওয়া উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।



বাজারে এখন কোরবানির গরুর যে দাম চাওয়া যাচ্ছে, তাতে প্রতি কেজির দাম এক হাজার টাকা পড়ে যাচ্ছে। তাহলে কোরবানির পশু বাড়তি থেকে লাভ কী- এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রহমান বলেন, ‘এই পরিসংখ্যান আপনি কোথায় পেলেন?’


তখন ওই সাংবাদিক বলেন, যারা বিক্রি করছেন এবং যারা কিনছেন, তারা জানাচ্ছেন। এ সময় প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি এতো ডিটেইলসে গেলেন কী পরীক্ষায় বা কীভাবে আপনি জানতে পারলেন?’    


এর পরিপ্রেক্ষিতে আরেকজন সাংবাদিক বলেন, লাইভওয়েটে সাড়ে ৫০০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে। একটা গরুর প্রায় ৬০ শতাংশ বাদ যায়। সে হিসাবে যদি আপনি দাম ধরেন কেজি এক হাজার টাকার ওপরে চলে যায়। 


এর উত্তরে প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘বাজারে যেকোনো পণ্যের দাম নির্ধারিত হয় চাহিদা এবং সরবরাহের ওপর। আমার দায়িত্ব হলো প্রয়োজনের তুলনায় সেই সরবরাহ আছে কি-না তা দেখা। আমি তো পরিসংখ্যান দিলাম। আরও ২৩ লাখ পশু বাড়তি আছে, উদ্বৃত্ত আছে।’


আব্দুর রহমান বলেন, ‘আজকে হয়তো কেউ নানাভাবে গরুর দাম বাড়াতে পারে। চড়া দাম হাঁকাতে পারে। কিন্তু দিন শেষে ওদের ‘মাথায় হাত’ পড়বে। কারণ গরু যোগান তো আমার আছে।’ তিনি জানান, যারা কৌশলে বা নানা ছলচাতুরির মাধ্যমে দাম হাঁকাচ্ছে, ওদের ‘মাথায় হাত’ পড়তে বাধ্য।


দাম নির্ধারণ করার দায়িত্ব মন্ত্রীর নয় জানিয়ে আব্দুর রহমান আরও বলেন, ‘দাম নির্ধারণ করবে বাজার। সাধারণ অর্থনীতির সংজ্ঞায় সরবরাহ ও চাহিদার যদি সমন্বয় থাকে সে ক্ষেত্রে বাজারই বাজারমূল্য নির্ধারণ করে।’

খুঁজুন