শরনার্থীরা নিজেরাই অস্ট্রেলিয়ার মানবিক অভিবাসন কর্মসূচির জন্য কী চান, তা নিয়ে তৈরি প্রতিবেদন মঙ্গলবার প্রকাশ পেয়েছে দেশটির পার্লামেন্ট হাউসে। "Protecting the Humanitarian Purpose: A Refugee-Led Policy Agenda for Australia's Humanitarian Migration Program" নামের এই প্রতিবেদন উদ্বোধন করেন গ্রিনস পার্টির নেতা ও সিনেটর ডেভিড শোব্রিজ। সিনেট কমিটি রুমে হওয়া অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে Refugee Communities Advisory Network (RCAN) ও আফগান পিস ফাউন্ডেশন। শরণার্থীদের সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সংস্থা STARTTS আয়োজনের পাশে ছিল।
RCAN-প্রতিবেদনটির প্রধান রচয়িতা। প্রতিবন্ধী শরণার্থীদের জন্য কিছু আলাদা প্রস্তাবও এতে জায়গা পেয়েছে। এই প্রস্তাবগুলো একত্র করার কমিটিতে ছিলেন মানবাধিকারকর্মী ও প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক অ্যাক্টিভিস্ট কামাল পাশা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিউজ আসনের সংসদ সদস্য ডেভিড মনক্রিফসহ আরও কয়েকজন পার্লামেন্ট সদস্য। এসেছিলেন শরণার্থী বিষয়ক বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, অ্যাক্টিভিস্ট এবং নানা শিল্প ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি। আয়োজকদের মধ্যে ছিলেন RCAN-এর ডা. আতেম আতেম এবং আফগান পিস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী তাহেরা নাসরাত।
এ ছাড়া শরণার্থী আইনজীবী ব্যারিস্টার জাকি ওমর ও ডা. মুবাশ্বির হোসেনসহ আরও কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
আয়োজকেরা জানিয়েছেন, শরণার্থী সম্প্রদায়ের নীতিগত দাবিগুলো সরাসরি পার্লামেন্ট সদস্যদের সামনে হাজির করা ছিল এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
কামাল পাশা প্রতিবন্ধিতা খাতে কাজ করছেন ২০১১ সাল থেকে। শরণার্থী পরিবারগুলোর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলছেন, যে পরিবারে প্রতিবন্ধী সদস্য আছেন, তাঁদের ভোগান্তির শুরু অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছানোর বহু আগেই। বিদেশ থেকে আবেদনের জটিল ধাপ, কাগজপত্র জোগাড়ের ঝক্কি আর লম্বা অপেক্ষা এসব পরিবারকে বাড়তি চাপে ফেলে। এই অনিশ্চিত সময় পরিবারগুলোর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও ছাপ ফেলে। তাই OneDoor Mental Health-এর ফেলো হিসেবে তিনি প্রতিবন্ধিতা ও মানসিক স্বাস্থ্যকে আলাদা না করে একসঙ্গে বিবেচনার পক্ষে জনমত গড়ার কাজ করছেন।
কামাল পাশার মতে, শরণার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর কাজ শুরু হওয়া উচিত বিদেশ থেকে আবেদনের পর্যায় থেকেই। আবেদনের প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করা, আর আবেদনকারী পরিবারের প্রতিবন্ধী সদস্যের প্রয়োজনের দিকে নজর দেওয়া তাঁর কাছে বিশেষ জরুরি। এর সঙ্গে তিনি জোর দেন দীর্ঘদিন বিচ্ছিন্ন পরিবারগুলোর দ্রুত পুনর্মিলনের ওপর, বিশেষ করে শিশু, নারী ও প্রতিবন্ধী সদস্যদের ক্ষেত্রে।
অস্ট্রেলিয়ান পার্লামেন্ট হাউসে উন্মোচিত হলো শরণার্থীদের নিজস্ব নীতি-রূপরেখা
অস্ট্রেলিয়ান পার্লামেন্ট হাউসে উন্মোচিত হলো শরণার্থীদের নিজস্ব নীতি-রূপরেখা
শরনার্থীরা নিজেরাই অস্ট্রেলিয়ার মানবিক অভিবাসন কর্মসূচির জন্য কী চান, তা নিয়ে তৈরি প্রতিবেদন মঙ্গলবার প্রকাশ পেয়েছে দেশটির পার্লামেন্ট হাউসে। "Protecting the Humanitarian Purpose: A Refugee-Led Policy Agenda for Australia's Humanitarian Migration Program" নামের এই প্রতিবেদন উদ্বোধন করেন গ্রিনস পার্টির নেতা ও সিনেটর ডেভিড শোব্রিজ। সিনেট কমিটি রুমে হওয়া অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে Refugee Communities Advisory Network (RCAN) ও আফগান পিস ফাউন্ডেশন। শরণার্থীদের সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সংস্থা STARTTS আয়োজনের পাশে ছিল। RCAN-প্রতিবেদনটির প্রধান রচয়িতা। প্রতিবন্ধী শরণার্থীদের জন্য কিছু আলাদা প্রস্তাবও এতে জায়গা পেয়েছে। এই প্রস্তাবগুলো একত্র করার কমিটিতে ছিলেন মানবাধিকারকর্মী ও প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক অ্যাক্টিভিস্ট কামাল পাশা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিউজ আসনের সংসদ
সদস্য ডেভিড মনক্রিফসহ আরও কয়েকজন পার্লামেন্ট সদস্য। এসেছিলেন শরণার্থী বিষয়ক বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, অ্যাক্টিভিস্ট এবং নানা শিল্প ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি। আয়োজকদের মধ্যে ছিলেন RCAN-এর ডা. আতেম আতেম এবং আফগান পিস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী তাহেরা নাসরাত। এ ছাড়া শরণার্থী আইনজীবী ব্যারিস্টার জাকি ওমর ও ডা. মুবাশ্বির হোসেনসহ আরও কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি অনুষ্ঠানে অংশ নেন। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, শরণার্থী সম্প্রদায়ের নীতিগত দাবিগুলো সরাসরি পার্লামেন্ট সদস্যদের সামনে হাজির করা ছিল এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। কামাল পাশা প্রতিবন্ধিতা খাতে কাজ করছেন ২০১১ সাল থেকে। শরণার্থী পরিবারগুলোর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলছেন, যে পরিবারে প্রতিবন্ধী সদস্য আছেন, তাঁদের ভোগান্তির শুরু অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছানোর বহু আগেই। বিদেশ থেকে
আবেদনের জটিল ধাপ, কাগজপত্র জোগাড়ের ঝক্কি আর লম্বা অপেক্ষা এসব পরিবারকে বাড়তি চাপে ফেলে। এই অনিশ্চিত সময় পরিবারগুলোর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও ছাপ ফেলে। তাই OneDoor Mental Health-এর ফেলো হিসেবে তিনি প্রতিবন্ধিতা ও মানসিক স্বাস্থ্যকে আলাদা না করে একসঙ্গে বিবেচনার পক্ষে জনমত গড়ার কাজ করছেন। কামাল পাশার মতে, শরণার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর কাজ শুরু হওয়া উচিত বিদেশ থেকে আবেদনের পর্যায় থেকেই। আবেদনের প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করা, আর আবেদনকারী পরিবারের প্রতিবন্ধী সদস্যের প্রয়োজনের দিকে নজর দেওয়া তাঁর কাছে বিশেষ জরুরি। এর সঙ্গে তিনি জোর দেন দীর্ঘদিন বিচ্ছিন্ন পরিবারগুলোর দ্রুত পুনর্মিলনের ওপর, বিশেষ করে শিশু, নারী ও প্রতিবন্ধী সদস্যদের ক্ষেত্রে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত