বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
মসজিদে ‘অনৈতিক কাজ’, মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর • লালমনিরহাটে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে এসআরবি'র বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা • ১২ বছরে ১৮ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ, কর কর্মকর্তা সাইফুলকে ঘিরে প্রশ্ন • একাত্তরে পাক আর্মি থেকে হিংস্র ছিলো জামাত • পাবনা মেডিকেল প্রকল্পে ২৭ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন • গজারিয়ায় আরডিআরএস এর ৩১০ তম ভবেরচর শাখার উদ্বোধন • খাদ্য পরিদর্শক মাজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ • অস্ট্রেলিয়ান পার্লামেন্ট হাউসে উন্মোচিত হলো শরণার্থীদের নিজস্ব নীতি-রূপরেখা • ৩০০ টাকার সেই টিকিট ব্ল্যাকে বিক্রি হচ্ছে ১,০০০ টাকায়! • সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে ফেলেছে সিটি করপোরেশন
জাতীয় পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় ২০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় ২০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং দেশের অভ্যন্তরে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে চলমান বন্যায় ২০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান।

শনিবার (৬ জুলাই) সচিবালয়ে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিপাতে ১৫ জেলা আক্রান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।

জেলাগুলো হলো- সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, রংপুর, জামালপুর, গাইবান্ধা, ফেনী, রাঙামাটি, বগুড়া, কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জ, লালমনিরহাট ও কক্সবাজার।

প্রতিমন্ত্রী জানান, এসব জেলায় এখন পর্যন্ত নগদ তিন কোটি ১০ লাখ টাকা, ৮ হাজার ৭০০ টন ত্রাণের চাল, ৫৮ হাজার ৫০০ বস্তা শুকনো খাবারের ব্যাগ ও অন্যান্য খাবার, শিশু খাদ্য কেনার জন্য ৬০ লাখ টাকা এবং গো-খাদ্য কেনার জন্য ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিনই বন্যা বিস্তৃতি লাভ করছে। ১৫ জেলার সব মানুষই পানিবন্দি নয়। কোনো কোনো জেলা আংশিকভাবে বন্যা কবলিত। এখন পর্যন্ত আমাদের আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৬ হাজার ২২৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা মনে করি বন্যাদুর্গত এলাকায় যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা পর্যাপ্ত।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যা আক্রান্ত অঞ্চল নিয়ে সরকার কাজ করছে। বন্যা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃতি লাভ করলে সেই জায়গাগুলোকেও আমরা অ্যাড্রেস করব। বন্যার কারণে দক্ষিণ দিকেও প্লাবন হতে পারে। আগামী মাস (আগস্ট) কিংবা তার পরের মাসেও (সেপ্টেম্বর) এ রকম আরেকটা বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী বন্যার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি।

তিনি বলেন, সবার সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা কাজ করছি। তারপরও বিভিন্ন সময় পত্রিকায় দেখি যে কোনো কোনো জায়গায় মানুষজন খাদ্য পায়নি। এজন্য আমরা জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলব।

স্থানীয় পর্যায়ে সংসদ সদস্য, ডিসি, ইউএনও যখন যেটা চাচ্ছে আমরা দিচ্ছি। ‌তারপরও গ্যাপ থাকার কোনো কারণ নেই- বলেন প্রতিমন্ত্রী।

খুঁজুন