ইসলামে নারী’ শীর্ষক এক সেমিনারে নারীদের অধিকার, সমাজে তাঁদের অবস্থান এবং নিজেদের কথা নিজেরাই বলার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে, ভেনিসের সালা কলবে সাংবাদিক মিতিয়া কিয়ারিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে তিনজন নারী অতিথি ছিলেন। তারা হলেন, RIC একাডেমির পরিচালক ও স্থানীয় রাজনীতি, আর্কিটেক্ট ঋতু মিয়া, মরোক্কোর হিনদ তাজি এবং আলজেরিয়ার কাতিবা মেদেল্লি।
আর্কিটেক্ট ঋতু মিয়া বলেন, মুসলিম নারীদের কথা শোনার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, মুসলিম নারীদের সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, রাজনৈতিক প্রচার, সংবাদপত্র ও রাজনীতিবিদদের বক্তব্যের মাধ্যমে একতরফা আলোচনা শুনতে শুনতে মানুষ এখন ক্লান্ত। তাঁরা মুসলিম নারীদের সম্পর্কে অন্যদের বক্তব্যের বদলে- সরাসরি তাদের মুখে থেকে শুনতে চান।
তিনি বলেন, যারা বিদ্বেষমূলক চিন্তা ভাবনা নিয়ে মুসলিমদের নিগ্রহ করেন, অসম্মান করেন, তাদের নিয়ে কথা বলার কিছু নেই, তাদের কথাতেই তাদের 'মূর্খতা' ফুটে ওঠে। কিন্তু সামাজিক এবং রাজনৈতিক কাজ করতে গিয়ে আমি দেখেছি, কিছু মানুষ সত্যিকারার্থে বিদ্বেষহীন ভাবে ধর্মীয় বৈষম্যের অবসান চান। অথচ তারা সমস্যার গোড়ায় যেতে পারেন না। কারণ, ইসলাম সম্পর্কে তাদের ধারণা কম। তারা না বুঝে গুবলেট করে ফেলেন। আর যারা ইসলাম সম্পর্কে জানেন, ইসলাম ধারণ করেন, তারা এর সৌন্দর্য সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারেন না।
তিনি বলেন, ভেনিসের একটি নামাজের স্থান প্রশাসন বন্ধ করে দিয়েছে। ওখানের ইমাম সাহেব পারতেন অন্য কোথাও গিয়ে নামাজের জায়গা করতে। কিন্তু তিনি তা না করে পার্কে- খোলা আকাশের নিচে নামাজের আয়োজন করেছেন। এটা করে তিনি নগরবাসীকে বার্তা দিতে চেয়েছেন- আপনারা দেখে যান, মসজিদের চার দেয়ালের মধ্যে কোনো অন্যায় কাজ হয় না। সেখানে আধ্যাত্মিক কাজ হয়, যা মানুষকে অন্যায় কাজ থেকে দূরে রাখে। সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায়, সুনাগরিক তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
ঋতু মিয়া বলেন, একটা সমাজের বা শহরের সামাজিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থাকতে হয় এবং তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হয়।
অনুষ্ঠানে কয়েকশো মানুষের উপস্থিতি ঘটে। যা আয়োজকদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে যায়। স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন সংগঠনের সদস্য, অধিকারকর্মী এবং সাধারণ মানুষ এতে অংশ নেন।
আলোচনায় উঠে আসে, একজন নারী কোন দেশ থেকে এসেছেন, তাঁর ধর্ম কী কিংবা তিনি কোন জাতিগোষ্ঠীর সদস্য, এসবের ঊর্ধ্বে প্রতিটি নারীরই নিজস্ব জীবন, চিন্তা, সিদ্ধান্ত, সংগ্রাম ও আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। প্রত্যেকেই চান তাঁর কথা শোনা হোক এবং তাঁর মতামতকে গুরুত্ব দেয়া হোক।
ভেনিসে ‘ইসলামে নারী’: শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
ভেনিসে ‘ইসলামে নারী’: শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
ইসলামে নারী’ শীর্ষক এক সেমিনারে নারীদের অধিকার, সমাজে তাঁদের অবস্থান এবং নিজেদের কথা নিজেরাই বলার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। মঙ্গলবার বিকেলে, ভেনিসের সালা কলবে সাংবাদিক মিতিয়া কিয়ারিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে তিনজন নারী অতিথি ছিলেন। তারা হলেন, RIC একাডেমির পরিচালক ও স্থানীয় রাজনীতি, আর্কিটেক্ট ঋতু মিয়া, মরোক্কোর হিনদ তাজি এবং আলজেরিয়ার কাতিবা মেদেল্লি। আর্কিটেক্ট ঋতু মিয়া বলেন, মুসলিম নারীদের কথা শোনার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, মুসলিম নারীদের সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, রাজনৈতিক প্রচার, সংবাদপত্র ও রাজনীতিবিদদের বক্তব্যের মাধ্যমে একতরফা আলোচনা শুনতে শুনতে মানুষ এখন ক্লান্ত। তাঁরা মুসলিম নারীদের সম্পর্কে অন্যদের বক্তব্যের বদলে- সরাসরি তাদের মুখে থেকে শুনতে চান। তিনি বলেন, যারা বিদ্বেষমূলক চিন্তা ভাবনা নিয়ে মুসলিমদের নিগ্রহ করেন, অসম্মান করেন,
তাদের নিয়ে কথা বলার কিছু নেই, তাদের কথাতেই তাদের 'মূর্খতা' ফুটে ওঠে। কিন্তু সামাজিক এবং রাজনৈতিক কাজ করতে গিয়ে আমি দেখেছি, কিছু মানুষ সত্যিকারার্থে বিদ্বেষহীন ভাবে ধর্মীয় বৈষম্যের অবসান চান। অথচ তারা সমস্যার গোড়ায় যেতে পারেন না। কারণ, ইসলাম সম্পর্কে তাদের ধারণা কম। তারা না বুঝে গুবলেট করে ফেলেন। আর যারা ইসলাম সম্পর্কে জানেন, ইসলাম ধারণ করেন, তারা এর সৌন্দর্য সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারেন না। তিনি বলেন, ভেনিসের একটি নামাজের স্থান প্রশাসন বন্ধ করে দিয়েছে। ওখানের ইমাম সাহেব পারতেন অন্য কোথাও গিয়ে নামাজের জায়গা করতে। কিন্তু তিনি তা না করে পার্কে- খোলা আকাশের নিচে নামাজের আয়োজন করেছেন। এটা করে তিনি নগরবাসীকে বার্তা দিতে চেয়েছেন- আপনারা দেখে যান, মসজিদের চার দেয়ালের মধ্যে কোনো অন্যায়
কাজ হয় না। সেখানে আধ্যাত্মিক কাজ হয়, যা মানুষকে অন্যায় কাজ থেকে দূরে রাখে। সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায়, সুনাগরিক তৈরিতে ভূমিকা রাখে। ঋতু মিয়া বলেন, একটা সমাজের বা শহরের সামাজিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থাকতে হয় এবং তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হয়। অনুষ্ঠানে কয়েকশো মানুষের উপস্থিতি ঘটে। যা আয়োজকদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে যায়। স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন সংগঠনের সদস্য, অধিকারকর্মী এবং সাধারণ মানুষ এতে অংশ নেন। আলোচনায় উঠে আসে, একজন নারী কোন দেশ থেকে এসেছেন, তাঁর ধর্ম কী কিংবা তিনি কোন জাতিগোষ্ঠীর সদস্য, এসবের ঊর্ধ্বে প্রতিটি নারীরই নিজস্ব জীবন, চিন্তা, সিদ্ধান্ত, সংগ্রাম ও আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। প্রত্যেকেই চান তাঁর কথা শোনা হোক এবং তাঁর মতামতকে গুরুত্ব দেয়া হোক।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত