বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
অস্ট্রেলিয়ান পার্লামেন্ট হাউসে উন্মোচিত হলো শরণার্থীদের নিজস্ব নীতি-রূপরেখা • ৩০০ টাকার সেই টিকিট ব্ল্যাকে বিক্রি হচ্ছে ১,০০০ টাকায়! • সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে ফেলেছে সিটি করপোরেশন • ভেনিসে ‘ইসলামে নারী’: শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত • বনানী বিদ্যানিকেতনে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা • সিডনিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ মহালয়া ও মেলা ২০২৬’, • সরকারের ভেতরের প্রশাসনিক দুর্বলতা • আপনার সন্তান কম মেধাবী, নাকি পৃথিবীটাকেই ঝাপসা দেখছে? • নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে
জাতীয় ২৫ মার্চ প্রতীকী ব্ল্যাকআউটের সিদ্ধান্ত সরকারের

২৫ মার্চ প্রতীকী ব্ল্যাকআউটের সিদ্ধান্ত সরকারের

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে নিহত শহীদদের স্মরণে আগামী ২৫ মার্চ সারা দেশে এক মিনিটের প্রতীকী ব্ল্যাকআউট পালন করা হবে। ওইদিন রাত ১০টা থেকে ১০টা ১ মিনিট পর্যন্ত জরুরি স্থাপনা বা কেপিআইভুক্ত এলাকা ছাড়া সারা দেশে এই কর্মসূচি পালন করা হবে।

রবিবার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সেখানে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস মর্যাদার সঙ্গে পালনের লক্ষ্যে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ নিয়েও আলোচনা হয়।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শোকাবহ পরিবেশ বজায় রাখতে ২৫ মার্চ রাতে কোথাও কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করা যাবে না। একই সঙ্গে বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসেও আলোকসজ্জা না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি এবং জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সভায় জানানো হয়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বিষয়গুলো বাস্তবায়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

গণহত্যা দিবস উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ২৫ মার্চের গণহত্যার ইতিহাস তুলে ধরা হবে।

এ ছাড়া দুপুর ১২টা থেকে দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় গণহত্যাবিষয়ক তথ্যভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ও দুর্লভ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।

শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ওইদিন সারা দেশে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। ২৫ মার্চ জোহরের নামাজের পর অথবা সুবিধাজনক সময়ে দেশের সব মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে এই প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রতীকী ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি সফল করতে বিদ্যুৎ বিভাগ ও জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ এই দুই দিবসকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে বলে সভায় জানানো হয়েছে।

খুঁজুন