বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
অস্ট্রেলিয়ান পার্লামেন্ট হাউসে উন্মোচিত হলো শরণার্থীদের নিজস্ব নীতি-রূপরেখা • ৩০০ টাকার সেই টিকিট ব্ল্যাকে বিক্রি হচ্ছে ১,০০০ টাকায়! • সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে ফেলেছে সিটি করপোরেশন • ভেনিসে ‘ইসলামে নারী’: শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত • বনানী বিদ্যানিকেতনে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা • সিডনিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ মহালয়া ও মেলা ২০২৬’, • সরকারের ভেতরের প্রশাসনিক দুর্বলতা • আপনার সন্তান কম মেধাবী, নাকি পৃথিবীটাকেই ঝাপসা দেখছে? • নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে
জাতীয় ঢাকার দুই সিটির নির্বাচন আয়োজনে সিইসিকে চিঠি

ঢাকার দুই সিটির নির্বাচন আয়োজনে সিইসিকে চিঠি

জনভোগান্তি কমাতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন এক ব্যক্তি। বংশালের অধিবাসী হোসাইন মোহাম্মদ আনোয়ার মঙ্গলবার (২০ মে) এ চিঠি পাঠান। বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন তিনি নিজেই এবং তার আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান।

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আয়োজন করা প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বরাবর করা চিঠিতে বলা হয়েছে, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী হোসাইন মো. আনোয়ার একজন সচেতন নাগরিক। জুলাই আন্দোলনের সংগঠক ও এনসিপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের রাজনৈতিক কর্মী।

চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন না হওয়ায় প্রতিনিয়ত সিটি করপোরেশন তালাবদ্ধ করে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এতে করে জনহয়রানি ও ভোগান্তি বাড়ছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মো. শেখ ফজলে নূর তাপসের মেয়াদ শুরু হয় ২০২০ সালের ১৬ মে এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনে পালিয়ে যান। ঢাকা উত্তরের আতিকুল ইসলাম কার্যক্রম শুরু হয় ২০২০ সালের ১৬ মে এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট উনিও পালিয়ে যান এবং পরবর্তীতে গ্রেফতার হন। এরপর ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ শূন্য ঘোষণা করে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। স্বাভাবিক নিয়ম অনুসারে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির মেয়রের কার্যকালের মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে গত ১৫ মে (২০২৫)।

আরো বলা হয়, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের অন্তত ২ কোটি জনগণ বাস করে। যদি নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকে তাহলে যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা খুবই কষ্ট সাধ্য। এই বিশাল জনগোষ্ঠির ভোগান্তির আর শেষ থাকে না। নির্বাচন না দিয়ে জনগণের দৈনন্দিন নাগরিক সেবা ব্যাহত হচ্ছে এবং মারাত্মক জটিলতা তৈরি করতেছে, যা নগর গঠনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

খুঁজুন