বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
অস্ট্রেলিয়ান পার্লামেন্ট হাউসে উন্মোচিত হলো শরণার্থীদের নিজস্ব নীতি-রূপরেখা • ৩০০ টাকার সেই টিকিট ব্ল্যাকে বিক্রি হচ্ছে ১,০০০ টাকায়! • সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে ফেলেছে সিটি করপোরেশন • ভেনিসে ‘ইসলামে নারী’: শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত • বনানী বিদ্যানিকেতনে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা • সিডনিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ মহালয়া ও মেলা ২০২৬’, • সরকারের ভেতরের প্রশাসনিক দুর্বলতা • আপনার সন্তান কম মেধাবী, নাকি পৃথিবীটাকেই ঝাপসা দেখছে? • নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে
জাতীয় জয়শঙ্করের সফর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখার পরামর্শ

জয়শঙ্করের সফর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখার পরামর্শ

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ঢাকা সফরকে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখার কথা বলেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। একইসঙ্গে জয়শঙ্করের সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন কমবে কি না, তার উত্তর আগামীতে খোঁজার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারর্পাসন খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকায় আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর ও পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক।

এ ছাড়া, ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডি এন ডুঙ্গেল, মালদ্বীপের মন্ত্রী ড. আলি হায়দার আহমেদ, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা ও শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিতা হেরাথও ঢাকা সফর ক‌রে‌ছেন।

তৌ‌হিদ হোসেন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের প্রতিনিধি এসেছেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও এসেছেন। তার সফর সংক্ষিপ্ত ছিল। কিন্তু তিনি পুরো অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহণ করেছেন। তারপর চলে গেছেন। এটা একটা ভালো জেসচার, এ পর্যন্তই; এর চেয়ে বেশিকিছু খুঁজতে না যাওয়াই ভালো। এই সফর‌কে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখাই ভা‌লো।

জয়শঙ্করের সঙ্গে একান্ত বৈঠক হয়নি জানিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমাদের মধ্যে ওয়ান টু ওয়ান কথাবার্তা হয়নি। সে রকম সুযোগও সৃষ্টি হয়নি। অন্যান্য বিদেশি অতিথিরাও ছিলেন- পাকিস্তানের স্পিকার ছিলেন, তার সঙ্গেও তিনি (জয়শঙ্কর) হাত মিলিয়েছেন। এটা কার্টেসি, যেটা সবাই মেনে চলে।

তি‌নি বলেন, তার সঙ্গে আমার যেটুকু কথা হয়েছে, সেখানে রাজনীতি ছিল না। একেবারেই সৌজন্যবোধ, অন্য সবার সামনে, ফলে দ্বিপাক্ষিক ইস্যু আলোচনার সুযোগ ছিল না।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফর দুই দেশের উত্তেজনা প্রশমণ করবে কি না- জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এর উত্তর আপনাদেরকে আগামীতেই খুঁজতে হবে।

তি‌নি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ তো বটেই, প্রতিবেশী দেশগুলোতেও তার এক ধরনের পজিটিভ ইমেজ আছে। তিনি যে অবস্থানে নিজেকে নিয়ে যেতে পেরেছিলেন আপনারা তা জানেন। দেশের মানুষের মধ্যে দলমত নির্বিশেষে তার এক ধরনের গ্রহণযোগ্যতা ও শ্রদ্ধা সম্মান আছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটা দক্ষিণ এশিয়ার সবাই স্বীকৃ‌তি দেয়। তার মৃত্যুতে এবং জানাজায় সবাই অংশগ্রহণ করবেন এটাই স্বাভাবিক। এটাকে আমরা সেভাবেই দেখি।

খুঁজুন