আমি আপনাকে একটা প্রেডিকশন দেই। খুব দ্রুতই আপনি সামগ্রিক একটা শ্রেনি সংঘাত দেখবেন। ট্রেডিশনাল মার্ক্সবাদী শ্রেনি সংঘাত না। অটোরিকশা বনাম জনতার সংঘাত। এখানে টিপিকাল শোষক আর শোষিতের সংঘাত না। এখানে জনতাই শোষিত। যারা বৈধ ভ্যাট ট্যাক্স দিয়ে রাস্তায় চলতে পারবে না, চুন থেকে পান খসলে মামলা খাবে কিন্তু তার চোখের সামনেই অটোরিকশা চালক পা উপরে তুলে সাইসাই করে চলে যাবে এবং ভার্সিটি পাস করা ইন্টার্নের ২-৩ গুন ইনকাম করে ব্যবসা করবে তারা খুব বেশিদিন এটা সহ্য করবে না। আইনের উপর তীব্র ঘৃণা তৈরি করবে এইটা শুধুমাত্র আইনের অসম প্রয়োগের কারণে। যা ভবিষ্যতের জন্য ভয়াবহ।
সারা বাংলাদেশে মনে হয় এমন একটা বাইক বা গাড়ি খুঁজে পাওয়া কষ্ট হবে যারা কোন না কোন ক্ষতি অটোরিকশা করে নাই। আগে মানুষ "গরিব" কার্ডে ছেড়ে দিতো। এখন ব্যাটারি খুলে আনে। সামনে আরও আনবে। গনধোলাই দিবে। পৃথিবীর ইতিহাস দেখেন, আইনের অসম প্রয়োগ মানুষকে আইন হাতে তুলে নিতে বাধ্য করে।
চাহিদা আর যোগানের আলাপ যে বামরা দেন তাদের বলি, এদেশে অবৈধ সবকিছুর চাহিদা আছে। মাদক, অস্ত্র, ঘুষ সব কিছুর চাহিদা আছে। চাহিদা থাকলেই সব জাস্টিফিকেশন দেয়া গেলে আপনাদের মত বামদের জন্য সবার আগে গঞ্জিকা বৈধতা দেয়া যেতো। 'আনফর্চুনেটলি' তীব্র চাহিদা থাকার পরেও তা সম্ভব হচ্ছে না। এদেশে মানিকগঞ্জের জুলহাসের বানানো বিমানেরও চাহিদা আছে জ্যামের জন্য। বানিজ্যিকভাবে তা এয়ার স্পেসে চলতে দেয়া শুরু করবো এখন?
সরকারের অলরেডি এটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে। সামনে আরও হবে। বামদের অটোরিকশা কেন্দ্রিক শ্রমিক বিপ্লবের স্বপ্ন আর নগদ অর্থের লোভে বিভোর ক্ষমতার উপরের চেইনের মানুষদের এই অপারগতার দায় সারা দেশের মানুষকে নিতে হবে। অজস্র সংঘাত অনিবার্য।
পৃথিবীর কোন সভ্য দেশে এই জিনিস চলতে পারে না। চলেও না। হাওয়ার উপর কোন ৩০-৪০ কি.মি বেগের যানবাহন বৈধ হতে পারে না। কোন লাইসেন্স উল্টো পথে যাওয়া থামাতে পারে না। ট্রাফিক সিগনাল মানাতে বাধ্য করতে পারে না। একজন কাভার্ড ভ্যানের ড্রাইভার রিকশা চালকের চেয়ে বেশি শিক্ষিত এটা বলতে চান? সে সিগনাল মানে। অটো মানে না। সে উল্টো পথে যাওয়ার আগে ১০০ বার ভাবে অটো ভাবে না। কেন? কারণ সে জানে এই সিস্টেম তার চুলটাও ফেলতে পারবে না।
এই ঘৃণা সরকারের উচিত হবে না বাড়তে দেয়া। ভোট আর আন্দোলনের ভয়ে যদি অন্যায়ের বৈধতা দিয়ে সমাধান খুঁজতে চান তাহলে ভুল করবেন। অধুনিক পৃথিবীর ইতিহাস ঘেটে দেখান কোথায় এভাবে সমাধান করা গেছে? যায় নাই। যদি আপনার দেশের একমাত্র কর্মসংস্থান অবৈধ অটোরিকশা আর অবৈধ রাস্তা দখল করে হকারি হয় এবং এটা নিয়ে কিচ্ছু করতে না পারেন তাহলে বড় সংঘাতের প্রস্তুতি নেন। আজকে একজন বাইকার দেখলাম ১০ হাজার টাকার মামলা খাওয়ার পর ডেস্পারেট হয়ে অটো ধরে ধরে আনতেছে। ক্ষোভটা চিন্তা করছেন? তার নিজের খাওয়ার জন্য যতটা না তারচেয়ে বেশি অসম আইনের প্রয়োগ নিয়ে। অসম আইনের প্রয়োগ থামান।"
খুব দ্রুতই আপনি সামগ্রিক একটা শ্রেনি সংঘাত দেখবেন
খুব দ্রুতই আপনি সামগ্রিক একটা শ্রেনি সংঘাত দেখবেন
আমি আপনাকে একটা প্রেডিকশন দেই। খুব দ্রুতই আপনি সামগ্রিক একটা শ্রেনি সংঘাত দেখবেন। ট্রেডিশনাল মার্ক্সবাদী শ্রেনি সংঘাত না। অটোরিকশা বনাম জনতার সংঘাত। এখানে টিপিকাল শোষক আর শোষিতের সংঘাত না। এখানে জনতাই শোষিত। যারা বৈধ ভ্যাট ট্যাক্স দিয়ে রাস্তায় চলতে পারবে না, চুন থেকে পান খসলে মামলা খাবে কিন্তু তার চোখের সামনেই অটোরিকশা চালক পা উপরে তুলে সাইসাই করে চলে যাবে এবং ভার্সিটি পাস করা ইন্টার্নের ২-৩ গুন ইনকাম করে ব্যবসা করবে তারা খুব বেশিদিন এটা সহ্য করবে না। আইনের উপর তীব্র ঘৃণা তৈরি করবে এইটা শুধুমাত্র আইনের অসম প্রয়োগের কারণে। যা ভবিষ্যতের জন্য ভয়াবহ। সারা বাংলাদেশে মনে হয় এমন একটা বাইক বা গাড়ি খুঁজে পাওয়া কষ্ট হবে যারা কোন না কোন ক্ষতি অটোরিকশা করে নাই। আগে মানুষ "গরিব" কার্ডে ছেড়ে দিতো। এখন ব্যাটারি খুলে আনে। সামনে আরও আনবে। গনধোলাই দিবে। পৃথিবীর ইতিহাস দেখেন, আইনের অসম প্রয়োগ মানুষকে আইন হাতে তুলে
নিতে বাধ্য করে। চাহিদা আর যোগানের আলাপ যে বামরা দেন তাদের বলি, এদেশে অবৈধ সবকিছুর চাহিদা আছে। মাদক, অস্ত্র, ঘুষ সব কিছুর চাহিদা আছে। চাহিদা থাকলেই সব জাস্টিফিকেশন দেয়া গেলে আপনাদের মত বামদের জন্য সবার আগে গঞ্জিকা বৈধতা দেয়া যেতো। 'আনফর্চুনেটলি' তীব্র চাহিদা থাকার পরেও তা সম্ভব হচ্ছে না। এদেশে মানিকগঞ্জের জুলহাসের বানানো বিমানেরও চাহিদা আছে জ্যামের জন্য। বানিজ্যিকভাবে তা এয়ার স্পেসে চলতে দেয়া শুরু করবো এখন? সরকারের অলরেডি এটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে। সামনে আরও হবে। বামদের অটোরিকশা কেন্দ্রিক শ্রমিক বিপ্লবের স্বপ্ন আর নগদ অর্থের লোভে বিভোর ক্ষমতার উপরের চেইনের মানুষদের এই অপারগতার দায় সারা দেশের মানুষকে নিতে হবে। অজস্র সংঘাত অনিবার্য। পৃথিবীর কোন সভ্য দেশে এই জিনিস চলতে পারে না। চলেও না। হাওয়ার উপর কোন ৩০-৪০ কি.মি বেগের যানবাহন বৈধ হতে পারে না। কোন লাইসেন্স উল্টো পথে যাওয়া থামাতে পারে না। ট্রাফিক সিগনাল মানাতে বাধ্য করতে পারে না। একজন কাভার্ড
ভ্যানের ড্রাইভার রিকশা চালকের চেয়ে বেশি শিক্ষিত এটা বলতে চান? সে সিগনাল মানে। অটো মানে না। সে উল্টো পথে যাওয়ার আগে ১০০ বার ভাবে অটো ভাবে না। কেন? কারণ সে জানে এই সিস্টেম তার চুলটাও ফেলতে পারবে না। এই ঘৃণা সরকারের উচিত হবে না বাড়তে দেয়া। ভোট আর আন্দোলনের ভয়ে যদি অন্যায়ের বৈধতা দিয়ে সমাধান খুঁজতে চান তাহলে ভুল করবেন। অধুনিক পৃথিবীর ইতিহাস ঘেটে দেখান কোথায় এভাবে সমাধান করা গেছে? যায় নাই। যদি আপনার দেশের একমাত্র কর্মসংস্থান অবৈধ অটোরিকশা আর অবৈধ রাস্তা দখল করে হকারি হয় এবং এটা নিয়ে কিচ্ছু করতে না পারেন তাহলে বড় সংঘাতের প্রস্তুতি নেন। আজকে একজন বাইকার দেখলাম ১০ হাজার টাকার মামলা খাওয়ার পর ডেস্পারেট হয়ে অটো ধরে ধরে আনতেছে। ক্ষোভটা চিন্তা করছেন? তার নিজের খাওয়ার জন্য যতটা না তারচেয়ে বেশি অসম আইনের প্রয়োগ নিয়ে। অসম আইনের প্রয়োগ থামান।"
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত