বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
অস্ট্রেলিয়ান পার্লামেন্ট হাউসে উন্মোচিত হলো শরণার্থীদের নিজস্ব নীতি-রূপরেখা • ৩০০ টাকার সেই টিকিট ব্ল্যাকে বিক্রি হচ্ছে ১,০০০ টাকায়! • সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে ফেলেছে সিটি করপোরেশন • ভেনিসে ‘ইসলামে নারী’: শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত • বনানী বিদ্যানিকেতনে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা • সিডনিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ মহালয়া ও মেলা ২০২৬’, • সরকারের ভেতরের প্রশাসনিক দুর্বলতা • আপনার সন্তান কম মেধাবী, নাকি পৃথিবীটাকেই ঝাপসা দেখছে? • নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে
জাতীয় যমুনায় পানি বৃদ্ধিতে তলিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি

যমুনায় পানি বৃদ্ধিতে তলিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি

পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির কারণে সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ১১ দিন যাবত নদীতে পানি বাড়ছে। এ অবস্থায় চরাঞ্চল ও নদীতীরের নিম্নাঞ্চলের আবাদি জমির ফসল তলিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়াও নদীতীরের ৫টি উপজেলা সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালীতে ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ইতিমধ্যেই কাজিপুর উপজেলার মাইজবাড়ী, কাজিপুর, গান্ধাইল, শুভগাছা, খাসরাজবাড়ী, নাটুয়ারপাড়া, তেকানী, নিশ্চিন্তপুর মনসুর নগর ও চরগিরিশ ইউনিয়নে প্রতি বছর যমুনার পানিবৃদ্ধি ও মুষলধারে বৃষ্টি হলেই শুরু হয় নদী ভাঙন। বর্ষাকালব্যাপী চলতে থাকে ভাঙন। নদী পাড়ের মানুষের দাবি, স্বাধীনতার পরে স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধে তেমন কোন উদ্যোগ গ্রহন করেনি সরকার। যদিও মাঝে মাঝে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল, তেমন কাজ হয়নি। যার কারণে প্রতি বছর বসতবাড়ি, ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে।

চরাঞ্চলের শ্রীপুর ও ফুলজোড় গ্রামের আব্দুল মজিদ, শফিকুল ইসলাম বলেন, হঠাৎ করে যমুনার পানি সামান্য বৃদ্ধিতেই নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে তার এলাকার বসতবাড়ি ও তোষাপাটসহ জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।

শ্রীপুর ও ফুলজোড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ভাঙনের মুখে শতাধিক বিঘা ফসলি জমি। তাঁরা আরও বলেন নদীতে পানি বেড়ে বন্যা আসলে যমুনার চরাঞ্চলের মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। অথচ দেখার কেউ নাই।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (এসও) হাফিজুর রহমান বলেন, শনিবার (১৬ আগস্ট) সকাল ৬ টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে পানির সমতল ১২.৪৭ মিটার, ২৩ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অপরদিকে কাজিপুর পয়েন্টে পানির সমতল ১৪.০৪ মিটার, ২৩ সেন্টিমিটার বেড়ে ৭৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আরো কয়েকদিন পানি বাড়তে পারে। তবে এই মুহূর্তে বন্যার আশঙ্কা নেই।

উল্লেখ্য, প্রতিবছরই যমুনার পানি বৃদ্ধি এবং কমার সময় যমুনায় ভাঙ্গন দেখা দেয়। এ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছে যমুনা কুলের মানুষেরা।

খুঁজুন