Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

‘গরুর মাংস’ বিতর্কে অভিনেত্রীকে বয়কটের ডাক

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিনোদন ডেস্ক:

বাংলাদেশের একটি রান্নার শোতে এসে গরুর মাংস রান্না শিখে বিপাকে ভারতের নির্মাতা ও অভিনেত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। 



এই মুহূর্তে সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল রান্নার শোয়ের একটি ভিডিও। সামাজিকমাধ্যমে তাকে নিয়ে আলোচনা চলছে। তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়েছেন তিনি। এমনকি ‘জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা’র হুমকিও শুনতে হচ্ছে তাকে। 



বিতর্কের মুখে পড়ে গোমাংস রান্না নিয়ে ক্ষমাও চেয়েছেন সুদীপা। তবে ক্ষমা চাওয়ার পরেও গোমাংসকাণ্ডে তার বিরুদ্ধে উঠেছে বয়কটের ডাক।



বিনোদন জগতের জনপ্রিয় নাম সুদীপা। রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠান ‘জি বাংলা রান্নাঘর’র সঞ্চালনা করে খ্যাতি পেয়েছেন। বাংলাদেশেও আছে তার জনপ্রিয়তা। তাই ঈদ উপলক্ষে একটি রান্নার অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন তিনি।



অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী তারিন জাহানের সঙ্গে দেখা গেছে সুদীপাকে। সেখানে দুজনে মিলে রান্না করেন গরুর মাংসের কোফতা। আর এতেই পশ্চিমবঙ্গের নেটিজেনদের রোষানলে পড়েছেন তিনি। অনবরত হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে তাকে।



 এমনকি তার পাঁচ বছরের ছেলে আদিদেব চ্যাটার্জিকেও অপহরণ করার হুমকি পাচ্ছেন।


এ প্রসঙ্গে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সুদীপা বলেন, আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে বারবার। যারা এটা নিয়ে ট্রল করছেন, তাদের মধ্যে সিংহভাগ মানুষ ভিডিওটা দেখেননি, আমি নিশ্চিত। আমি গরুর মাংস খাওয়া তো দূর অস্ত, রান্নাও করিনি। এমনকি ছুঁইওনি। 



দ্বিতীয়ত, তারিন জাহান নিজে রান্নাটা করেছেন। ভিডিওগুলো এখনও অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে। যে কেউ চাইলে দেখে নিতে পারেন। কোথাও দেখতে পাবেন না যে আমি গরুর মাংস স্পর্শ পর্যন্ত করেছি।



ভিডিওতে তারিনকেই মাংস রান্না করতে দেখা গিয়েছে, তবে রান্না শেষে হাতার মাধ্যমে গরুর মাংসের কোফতা পরিবেশনে তারিনকে সাহায্য করেন সুদীপা। আর সেই ভিডিও প্রকাশ হতেই দুই বাংলায় ব্যাপক তোপের মুখে পড়েছেন তারিন ও সুদীপা। 



শিগগিরই মানসী সিনহার সিনেমার শুটিংয়ে কলকাতায় যাবেন তারিন। তাকে সামাজিকমাধ্যমে অনেকেই হুমকি দিচ্ছেন, সেই নিয়েও উদ্বিগ্ন তারিন। এবার মুখ খুললেন তারিনও।


ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারকে তারিন বলেন, কোন পর্বে কী পদ রান্না হবে তার, চিত্রনাট্য আগে থেকেই ঠিক করা হয়ে যায়। এই রান্নার অনুষ্ঠানকে ঘিরে যত বিতর্ক। আর আমি এই বিতর্কে না চাইতেও জড়িয়ে পড়লাম।



 ঈদের সময় দর্শকের কথা মাথায় রেখে গরুর মাংসের একটি পদ চূড়ান্ত করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী আমরা দর্শকদের জন্য ওই রান্না দেখিয়েছিলাম। আমি কিন্তু ওই অনুষ্ঠানে সুদীপাদিকে গরুর মাংস খেতে বলেছি বা আমি গরুর মাংস খাওয়াব বলেছি, এমন নয়। আমরা খাওয়া তো দূর, ছুঁয়েও দেখিনি। ওই অনুষ্ঠানের ভিডিও যে কেউ দেখতে পারেন।


ভাইরাল ভিডিওতে তারিনকে বলতে দেখা যায়, তুমি যেহেতু গেস্ট, আমি হোস্ট হিসেবে তোমাকে রান্না করে খাওয়াব। ইনফ্যাক্ট দর্শকদের রান্না করে দেখাব গরুর মাংসের কোফতা।


তারিন বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, বকরি ঈদে আমরা গরুর মাংসের পদ রান্না করি। কিন্তু একজন অতিথিকে ঈদের সময় তো বলতে পারব না, আমি তোমাকে খাওয়াব না! তাই ‘খাওয়াব না’ কথাটা বলিনি। আবার ‘গোমাংস খাওয়াব’ও বলিনি।


আরও খবর



শুধু চিকিৎসার জন্য জনপ্রতি ব্যয় আয়ের ৭৩ শতাংশ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে প্রতিবছর ৬১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যায়, যা মোট জনসংখ্যার ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। কেননা কম সরকারি বরাদ্দ এবং যা বরাদ্দ হয় সেটিরও কার্যকর ব্যয় না হওয়ায় মানুষের পকেট থেকে চলে যাচ্ছে বছরে মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৭৩ শতাংশ অর্থ। তবে এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি খরচ হচ্ছে ওষুধ কিনতে গিয়ে ৫৪ দশমিক ৪০ শতাংশ, দ্বিতীয় অবস্থানে ডায়াগনস্টিকের জন্য ২৭ দশমিক ৫২ শতাংশ, কন্সালটেশনের জন্য ১০ দশমিক ৩১ এবং পরিবহণের জন্য খরচ হয় ৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ অর্থ। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সেমিনারে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, আমি স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন করব, কেননা এটা আমরা জন্য চ্যালেঞ্জ। এই আইনের মাধ্যমে রোগী ও চিকিৎসক সব পক্ষকে সুরক্ষা দেওয়াটা আমার দায়িত্ব। সেই সঙ্গে হেলথ ইন্স্যুরেন্সের কাজ চলছে বলেও তিনি জানান।

প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও মিয়ানমারের তুলনায় বাংলাদেশে রোগীর চিকিৎসা ব্যয়ভার বেশি। মালদ্বীপে স্বাস্থ্যসেবার মাত্র ১৪ শতাংশ রোগীকে বহন করতে হয়। অথচ বাংলাদেশে একজন রোগীকে মোট ব্যয়ের ৭৩ শতাংশ বহন করতে হয়। এই ব্যয়ভার মেটাতে গিয়ে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তরা হিমশিম খাচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনেকে মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ করে দিচ্ছে। যদিও জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (এসডিজি) ২০৩২ সালের মধ্যে ব্যয়ের এই হার ৩২ শতাংশে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার করা হয়েছে। চিকিৎসায় রোগীর ব্যয় বৃদ্ধির জন্য সরকারের অদূরদর্শিতা ও অবহেলাকে দায়ী করেছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা। তাদের মতে, স্বাস্থ্য খাতকে এখনো অবহেলার চোখে দেখা হয়। বাজেট বরাদ্দে স্বাস্থ্য খাত সবসময় পিছিয়ে থাকে। সামান্য যা বরাদ্দ হয় সেই অর্থও যথাযথভাবে ব্যয় করা হয় না। ফলে রোগীকে রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়। রোগীর খরচের এই লাগাম টানতে না পারলে এসডিজি অর্জন অসম্ভব হয়ে পড়বে। এ জন্য বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। সরকারি স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামো, চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী বা লোকবল বৃদ্ধি, রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সুবিধা এবং

প্রয়োজনীয় ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

২০০০ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বাস্থ্য খাতে সরকারের এবং রোগীর ব্যয়ের একটি পরিসংখ্যান গত ১৫ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রকাশ করে। এতে দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে কম বাজেট বরাদ্দ হয় বাংলাদেশে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে ৪১ হাজার ৪০৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশের ১৭ কোটি ১২ লাখ মানুষের বিপরীতে টাকার অঙ্কে সরকার ব্যয় করবে গড়ে ৩ হাজার ৪২ টাকা (২৬ ডলার)। ২০০০ সালে বাংলাদেশে রোগীর চিকিৎসার জন্য সরকার ব্যয় করত গড়ে ৮ ডলার। ২০২১ সালে এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৫ দশমিক ৯ ডলার।

রোগীর ঘাড়ে বোঝার ভার: দুই দশক আগেও সরকার চিকিৎসা ব্যয়ের ৩৮ শতাংশ বহন করত। এখন রোগীর ব্যয়ভার ৭৩ শতাংশে পৌঁছেছে। ডব্লিউএইচওর তথ্যমতে, দেশে এখন আউট অব পকেট এক্সপেনডিচার ৭৩ শতাংশের বেশি। কারণ, ২০২১ সালে আউট অব পকেট এক্সপেনডিচার ছিল ৭৩ শতাংশ। কভিড-পরবর্তী সময়ে রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ওষুধসহ অন্যান্য ব্যয় কয়েক ধাপে বেড়েছে। কিন্তু এরপর আর কোনো জরিপ হয়নি। ২০২০ সালে এই হার ছিল ৭৪ শতাংশ। ২০১৯ সালে ৭২ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৭১ শতাংশ, ২০১৭ সালে ৭০ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৭১ শতাংশ, ২০১৫ সালে ৭৩ শতাংশ, ২০১৪ সালে ৭১ শতাংশ, ২০১৩ সালে ৭০ শতাংশ, ২০১২ সালে ৬৮ শতাংশ, ২০১১ সালে ৬৮ শতাংশ, ২০১০ সালে ৬৮ শতাংশ, ২০০৯ সালে ৬৮ শতাংশ, ২০০৮ সালে ৬৬ শতাংশ, ২০০৭ সালে ৬৬ শতাংশ, ২০০৬ সালে ৬৬ শতাংশ, ২০০৫ সালে ৬৫ শতাংশ, ২০০৪ সালে ৬৩ শতাংশ, ২০০৩ সালে ৬৩ শতাংশ, ২০০২ সালে ৬৩ শতাংশ, ২০০১ সালে ৬৬ শতাংশ, ২০০০ সালে ৬২ শতাংশ।

রোগীর চিকিৎসা ব্যয়ভারের শীর্ষ ১০টি দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। ৭৯ শতাংশ ব্যয়ের ভার নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছে আর্মেনিয়া ও তুর্কিস্তান। এই সূচকে ৭৭ শতাংশ রোগীকে ব্যয় করতে হয় যৌথভাবে ইকুয়েটোরিয়াল গিনি এবং আফগানিস্তানে। নাইজেরিয়ার নাগরিকদের চিকিৎসা ব্যয়ের ৭৬ শতাংশ নিজেকেই বহন করতে হয়। এর পরই বাংলাদেশের অবস্থান। দেশে নাগরিকদের ব্যয় করতে হয় ৭৩ শতাংশ। প্রতিবেশী মিয়ানমারে রোগীর ঘাড়ে ৭০ শতাংশ ব্যয়ের বোঝা। টোগোতে ৬৯ শতাংশ, ক্যামেরুনে ৬৭ শতাংশ। এ তালিকায় সবচেয়ে কম ৬৬ শতাংশ বহন করতে হয় আজারবাইজানের নাগরিকদের।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপের নাগরিকদের চেয়ে বাংলাদেশে একজন রোগীকে বেশি ব্যয় করতে হয়। মালদ্বীপের নাগরিকরা চিকিৎসা ব্যয়ের মাত্র ১৪ শতাংশ নিজেরা বহন করে। ভুটানের এই ব্যয়ের হার ১৯ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৪৪ শতাংশ, ভারতে ৫০ শতাংশ, নেপালে ৫১ শতাংশ, পাকিস্তানে ৫৭ শতাংশ ব্যয় রোগীরা বহন করে।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় রোগীর ব্যয় বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বাজেট বরাদ্দের স্বল্পতাকে দায়ী করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, ১৭ কোটি মানুষকে ভালো রাখতে বাজেটের অন্তত ১২ থেকে ১৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ প্রয়োজন। সেখানে বরাদ্দ ৫ শতাংশে আটকে আছে। এ বছর প্রস্তাব করা হয়েছে মাত্র ৫ দশমিক ২ শতাংশ। মানসম্মত চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য এই অর্থ অপর্যাপ্ত। এর পরও সমস্যা হলো, স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দের অর্থ চিকিৎসাসেবায় ব্যয় করা সম্ভব হয় না। সীমিত অর্থের বিরাট অংশ কাজে লাগাতে পারে না মন্ত্রণালয়। সেগুলো ফেরত যায়। এতে সরকারি সেবার পরিধি ছোট হচ্ছে। রোগীকে অর্থ খরচ করে বেসরকারিতে সেবা নিতে হচ্ছে। এজন্য দেশের জিডিপির বড় অংশ স্বাস্থ্যে বরাদ্দ দিতে হবে। সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধ বিনামূল্যে প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যেও এই বিশেষজ্ঞের বক্তব্যের প্রমাণ মিলেছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশে সবচেয়ে কম বরাদ্দ দেওয়া হয়। সবশেষ বাজেটে বাংলাদেশে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে মাত্র ২৬ ডলার। প্রতিবেশী মিয়ানমারে এই ব্যয়ের পরিমাণ ৪৮ ডলার। পাকিস্তানে ৪৯ ডলার, নেপালে ৭৬ ডলার, ভারতে ৮১ ডলার। শ্রীলঙ্কায় সরকারের ব্যয়ের পরিমাণ বেশ ভালো। সেখানে ব্যয় করা হয় গড়ে ২৮৩ ডলার। মালদ্বীপ তার নাগরিকদের জন্য বছরে ব্যয় করে প্রায় ১ হাজার ৪৭৯ ডলার। বৈশ্বিক সূচকেও স্বাস্থ্য ব্যয়ের হিসেবে তলানিতে বাংলাদেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদস্যভুক্ত ১১২টি দেশের স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে কম সরকারি ব্যয়ের ২০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৯তম। এই তালিকায় আফগানিস্তান ছাড়া বাকি ১৮টি দেশ আফ্রিকার যুদ্ধবিধ্বস্ত ও দরিদ্রতম দেশ।

কম ব্যয়ের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ সুদান। সেখানে সরকার গড়ে ব্যয় করে ৫ দশমিক ৪ ডলার। এরপর কঙ্গোতে ৭ দশমিক ৬ ডলার। মাদাগাস্কারে সরকার ব্যয় করে ১১ দশমিক ৯ ডলার, সেন্ট্রাল আফ্রিকায় ১১ দশমিক ৯ ডলার, বেনিনে ১২ ডলার, আফগানিস্তানে ১২ ডলার, টগোতে ১২ দশমিক ৯ ডলার, হাইতিতে ১৩ দশমিক ৪ ডলার, শাদে ১৪ দশমিক ১ ডলার, ইরত্রিয়ায় ১৬ দশমিক ৯ ডলার, লাইবেরিয়ায় ব্যয় ১৭ ডলার, বুরুন্ডিতে ১৭ দশমিক ৩ ডলার, ক্যামেরুনে ১৯ দশমিক ৭ ডলার, গিনিতে ২০ ডলার, জিম্বাবুয়েতে ২০ দশমিক ৭ ডলার, মালাউইয়ে ২১ দশমিক ৯ ডলার, গিনি বিসাউয়ে ২৪ দশমিক ১ ডলার, ইথিওপিয়ায় ২৪ দশমিক ৯ ডলার, বাংলাদেশে ২৫ দশমিক ৯ ডলার এবং সবশেষ তানজানিয়ায় জনপ্রতি সরকার ব্যয় করে ২৬ দশমিক ১ ডলার।

জিডিপির হিসাবেও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কমেছে: দেশের উন্নয়নের প্রধান সূচক হলো জিডিপি। মোট দেশজ উন্নয়নের মাত্র দশমিক ৪০ শতাংশ অর্থ সরকার স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করে। ২০০০ সালে এই ব্যয়ের পরিমাণ ছিল দশমিক ৫১ শতাংশ। ভারত, পাকিস্তান, ভুটান, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, নেপালের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির হিসাবে বরাদ্দের পরিমাণ নিম্নগামী। বাংলাদেশের তুলনায় ভুটান প্রায় পাঁচগুণ বেশি অর্থ ব্যয় করে। শ্রীলঙ্কায়ও প্রায় চারগুণের বেশি অর্থ ব্যয় করে। মিয়ানমার, নেপাল স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের হিসেবে প্রতিনিয়ত উন্নতি করছে। পাকিস্তান ছাড়া এ তালিকায় সবাই উন্নতি করেছে।

জিডিপির হিসাবে বিশ্বের সবচেয়ে কম স্বাস্থ্য ব্যয়ের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। এই সূচকে শীর্ষে রয়েছে বেনিন। সেখানে দশমিক ৩২ শতাংশ ব্যয় করা হয়। এর পরই বাংলাদেশের অবস্থান। দেশে এখন দশমিক ৪০ শতাংশ ব্যয় করা হয়। সূচকে দশমিক ৪৩ শতাংশ ব্যয়ের হিসাবে বাংলাদেশের পর হাইতির অবস্থান। ক্যামেরুন ব্যয় করে দশমিক ৪৮ শতাংশ। এ ছাড়া নাইজেরিয়া দশমিক ৫৪ শতাংশ, টেগো দশমিক ৫৫ শতাংশ, কঙ্গোতে দশমিক ৬৩ শতাংশ, ইকুয়েডর দশমিক ৬৮ শতাংশ, গিনি দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং লাওসে দশমিক ৭২ শতাংশ ব্যয় করা হয়।

জিডিপির হিসাবে স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করে কিউবা। সেখানে ১২ দশমিক ৬৩ শতাংশ ব্যয় করা হয় স্বাস্থ্য খাতে। এরপর নাউরু ১১ দশমিক ৩৪ শতাংশ, কিরিবাতি ১১ দশমিক ১২ শতাংশ, ব্রিটেন ১০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, জার্মানি ১০ দশমিক ২২ শতাংশ, টুভালু ১০ দশমিক ১৪ শতাংশ, সুইডেন ৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্র ৯ দশমিক ৬২ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়া ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং ফ্রান্স ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন ফোরামের কনভেনার ডা. সৈয়দ রুবায়েত বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ সরকার স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে কম ব্যয় করে। ২০২১ সালে বাংলাদেশ একজন মানুষের পেছনে গড়ে ২৬ ডলার ব্যয় করেছে। এ সময়ে প্রতিবেশী মিয়ানমার ৪৮ ডলার ব্যয় করেছে। পাকিস্তান নানা সংকটের মধ্যেও ৪৯ ডলার ব্যয় করেছে। নেপালে ৭৬ ডলার, ভারতে ৮১ ডলার, শ্রীলঙ্কায় ২৮৩ ডলার জনপ্রতি ব্যয় করেছে। সবচেয়ে বেশি ব্যয় করেছে মালদ্বীপ। তারা ওই বছর জনপ্রতি গড়ে ১ হাজার ৪৭৯ ডলার ব্যয় করেছে।

তিনি বলেন, ২০২১ সালের তথ্যমতে, বাংলাদেশে এখন চিকিৎসা ব্যয়ের ৭৩ শতাংশ রোগীকে বহন করতে হয়। ২০০০ সালে মোট ব্যয়ের ৬২ শতাংশ রোগীকে বহন করতে হতো। এরপর প্রতিনিয়ত শুধু বাড়ছেই সূচক। রোগীর চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ৮ দশমিক ৬১ মিলিয়ন বা ৮৬ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাচ্ছে। ২০৩২ সালের মধ্যে রোগীর ব্যয় কমিয়ে ৩২ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। কিন্তু বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ নেই। ফলে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হয়ে যাবে। তাই স্বাস্থ্যে বাজেটের পরিমাণ বাড়াতে হবে। রোগীদের ঘাড় থেকে চিকিৎসা ব্যয়ের বোঝা কমাতে হবে


আরও খবর



ভারতের সিকিমের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর লাশ ভেসে এলো লালমনিরহাটে

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

লালমনিরহাট প্রতিনিধি::


লালমনিরহাটের তিস্তার চরে বন্যার পানিতে ভেসে আসা এক মরদেহের পরিচয় সনাক্ত করা হয়েছে। গত ১৫ জুলাই, রোববার লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানাধীন মহিষখোঁচা ইউনিয়নের গোবর্ধন গ্রামে তিস্তা নদীর চরে পাওয়া মৃতদেহটি ভারতের সিকিম রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী Mr. RC Poudyal এর বলে জানা গেছে।


আদিতমারী থানার ওসি মাহমুদ উন নবী সোমবার ১৬ জুলাই ২০২৪ তারিখ বিকেল ৬ টায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃতদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ১৬ জুলাই ২০২৪ তারিখে লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বুড়িমারী চেকপোস্ট দিয়ে মৃতদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


মরদেহটি তিস্তা নদীর চরে পাওয়ার পর থেকেই এ বিষয়ে তদন্ত শুরু হয় এবং পরে এটি সিকিম রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর মরদেহ হিসাবে সনাক্ত হয়। উক্ত ঘটনাটি দুই দেশের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং মৃতদেহের সুষ্ঠু হস্তান্তরের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করার প্রচেষ্টা চলছে।


আরও খবর



দুদিনের সফরে আজ গোপালগঞ্জ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


আজ শুক্রবার (৫ জুলাই) দুই দিনের ব্যক্তিগত সফরে গোপালগঞ্জ যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।



 দলীয় প্রধানের আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন জেলার নেতাকর্মীরা। ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। জেলাজুড়ে গ্রহণ করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।



দলীয় প্রধানের আগমনকে ঘিরে পুরো জেলার নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সব সংগঠনের নেতাকর্মীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছেন। 



সড়ক-মহাসড়কে টাঙানো হয়েছে শুভেচ্ছা ব্যানার ও ফেস্টুন। নির্মাণ করা হয়েছে তোরণ।


প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ স্বাক্ষরিত পত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বেলা ৩টায় সড়ক পথে গণভবন থেকে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।



 সেখানে পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন। সমাবেশ শেষে মাওয়া থেকে শুক্রবার বিকেল ৫টায় সড়ক পথে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা হবেন। 



টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে পবিত্র ফাতেহা পাঠ ও দোয়া করবেন তিনি। 



এদিন রাতে প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু ভবনে রাত যাপন করবেন।



পরের দিন শনিবার সকালে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী। বেলা ১১টায় জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত জিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন, ‘এসো বঙ্গবন্ধুকে জানি’ শীর্ষক অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। 



দুপুর ১২টায় নবনির্মিত টুঙ্গিপাড়া মাল্টিপারপাস পৌর সুপার মার্কেট পরিদর্শন করবেন। দুপুরে প্রধানমন্ত্রী নিজ বাসভবনে জোহরের নামাজ আদায় করবেন এবং মধ্যাহ্নভোজ করবেন। 



বেলা সাড়ে ৩টায় জাতির পিতার সমাধি সৌধে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করে প্রধানমন্ত্রী বিকেল ৪টায় সড়ক পথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন। 



জেলা আওয়ামী লীগ প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাব উদ্দিন আজম বলেন, ‘পদ্মা সেতুর ২য় বর্ষপুর্তির অনুষ্ঠান শেষে শুক্রবার বিকেলে বঙ্গবন্ধুকন্যা তার একান্ত ব্যক্তিগত সফরে গোপালগঞ্জ এসে পৌঁছাবেন। 



তার এই আগমন উপলক্ষে জেলার সাধারণ মানুষ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।



জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম বলেন, ‘শুক্রবার দুদিনের ব্যক্তিগত সফরে প্রধানমন্ত্রী আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে উৎসবমুখর ও নিরাপদ করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে নিরাপত্তার সমন্বয় সভা হয়েছে। সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।’


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




দাবার কোর্টেই মৃত্যূর কোলে গ্র্যান্ডমাস্টার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

জাতীয় দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের ১২তম রাউন্ড চলছিল। গ্র্যান্ডমাস্টার এনামুল হোসেন রাজীবের বিপক্ষে ভালো পজিশনেই ছিলেন আরেক গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান। 

হঠাৎ-ই দাবা ফেডারেশনের রুমে দুই দাবাড়ু শাকিল ও নাইম হন্তদন্ত হয়ে দৌড়ে এসে জানান, ‘জিয়া ভাই মাথা ঘুরে পড়ে গেছে।’

সেখান থেকে আর ফেরা হলো না দেশের জনপ্রিয় এই গ্র্যান্ডমাস্টারের। চলে গেলেন পরপারে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

জিয়ার অসুস্থ হওয়ার খবর শুনেই সবাই দ্রুত ছুটে যান দাবা বোর্ডের রুমে। সবাই তড়িঘড়ি করে তাকে ধরে নিচে নামায়। জিএম রাজীবের গাড়িতে করে শাহবাগের ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে জিয়াকে।

মাত্র নয় মিনিটে পল্টনের দাবা ফেডারেশন থেকে হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের ডাক্তাররা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। শেষ পর্যন্ত তাকে মৃত ঘোষণা করে ডাক্তার।

জিয়ার স্ত্রী লাবণ্য ফেডারেশনেই ছিলেন। তার ছেলে তাহসিন তাজওয়ারও জাতীয় দাবা খেলছেন। এ সময় ইব্রাহিম কার্ডিয়াকে অবস্থান করছেন দাবা অঙ্গনের অনেকেই।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর। ১৯৭৪ সালে জন্ম নেওয়া জিয়া ১৯৯৩ সালে ইন্টারন্যাশনাল আর ২০০২ সালে দেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টারের খেতাব অর্জন করেন। বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫ শো ৭০ ফিদে রেটিংও তার।

১৯৮৮ সালে প্রথমবার জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হোন জিয়াউর রহমান। টুর্নামেন্টে রেকর্ড ১৪ বারের চ্যাম্পিয়নও তিনি। যেখানে বাকি চার গ্র্যান্ডমাস্টার সম্মিলিতভাবে জিতেছেন ১৬ বার।


আরও খবর



৫১ কোটি টাকা লোপােট করায় ডাক বিভাগের কর্মীদের বিরুদ্ধে দুদকে প্রতিমন্ত্রীর চিঠি

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি বাংলা:


রাজশাহীর তানোরের পারুল বেগমের সঞ্চয়পত্রের ২ লাখ টাকা ছাড়াও ডাক বিভাগের কর্মীরা গ্রাহকের অর্থ এবং ডাকের নিজস্ব তহবিল থেকে মোট ৫১ কোটি টাকা লোপাট করেছেন বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।



বুধবার (২৬ জুন) রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।


প্রতিমন্ত্রী জানান, শুধু রাজশাহীর তানোরের পারুল বেগমের ২ লাখ টাকা আত্মসাৎই নয়, গ্রাহকের অর্থ এবং ডাকের নিজস্ব তহবিল মিলিয়ে মোট ৫১ কোটি টাকা লোপাট করেছেন ডাক বিভাগের কর্মীরা। 



এ রকম ১১টি অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেছে। এসব কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুদককে চিঠি দেয়া হয়েছে।’


ডাক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, তানোরের পারুল বেগমসহ ৫১ জনের কাছ থেকে ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন তানোরের পোস্টমাস্টার মোকসেদ আলম। এ ছাড়া চট্টগ্রাম জিপিওতে ২৯ কোটি টাকা, নোয়াখালী পোস্ট অফিসে সাড়ে ৯ কোটি টাকা, বরিশাল মেডিকেল কলেজ পোস্ট অফিসে ২ কোটি, পটুয়াখালী পোস্ট অফিসে ২ কোটি, যশোর পোস্ট অফিসে ১ কোটি ৮৪ লাখ, শ্যামপুর পোস্ট অফিসে ৭৩ লাখ, দিনাজপুর পোস্ট অফিসে সঞ্চয়পত্রের ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনা রয়েছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪